People who likes SaBBiR


 

আমার কলিজা এত্তো বড় !

 অস্থিতিশীল রাজনীতি আর অস্থিতিশীল মনটা
কে এসে বাধবে কবে বিড়ালটাকে ঘন্টা
কে বলবে আপা তোমার মাথা পুরোই "
gone"
মুখ ফস্কে বললেই হয় মানবাধীকার লঙ্ঘন

 

কোন দেশে হয় রাষ্ট্রপতি শশ্বান ঘাটের মড়া
বাথরুমে পিছলা খেলেই খাবে অন্তিম ধরা
কে বলবে আজ মন্ত্রী তুমি দেখতে কাজের বুয়া
আস্তে বলো ! শুনে ফেললেই র‌্যাব দেবে ঠুয়া


কে বলবে ম্যাডাম তুমি সস্তা বাজেট নাটক
কান্নাকাটির দিনলিপিটার একলা তুমিই পাঠক
সালোয়ারটা খুলে গেলেও দেলোয়ারটা জমপেশ
তারি খেয়ে ফুটছে বুলি
, বেশ বেশ বেশ !


চাচা তবু সুখেই আছেন, কবিতা নিয়ে ব্যস্ত
প্রেসিডেন্টের স্বপ্নখানা আর হবেনা আস্ত

সময় ভীষন যাচ্ছে বাজে টুপি মাথায় থাকলেই|
রাজাকার ডাকবে সবাই দাড়িগুলো পাকলেই


রাজনীতিতে ব্যাস্ত রাজা আমজনতার খবর নাই
রাজা যেই হোকনা কেনও
, আমার তবুও খাবার চাই
যেই বসুক গদি জুড়ে কিইবা আসে যায়
?
খাবলাখাবলি থামার নয় একি বোঝা দায়
?

 

 

বেশ অনেকগুলো কারণে আমার এই ব্লগটা লেখা। কারনগুলো হচ্ছেঃ

১। আমার নতুন ওয়েবসাইটটা লঞ্চ করার সেলিব্রেশন হিসেবে।

২। নতুন ব্লগের প্রমোশন হিসেবে।

৩। ফাহাদের কাছ থেকে গ্রাফিক ট্যাব এনেছি, এটা আদৌ কি কাজের কিছু কিনা সেটা পরিক্ষা করতে।

৪। স্কুলের লাস্ট বেঞ্চে বসে খাতা ভর্তি স্যারের কোলাজ, বন্ধুবান্ধবের কোলাজ আঁকতাম, সেটা এতদিন পর পারি নাকি দেখতে (পারি নাই )।

৫। একটা শুক্রবার সকালের আলসে সময় পার করতে।

  

ইদানিং আমি খুব ভোরে উঠি, অসুস্থ্য মানুষের কাম আরকি। ব্যায়াম করে ফ্রেশ হয়ে সেই ভরে ফেসবুকে দেখি আরেক অসুস্থ্য পাবলিক বুড়ি বসে থাকে। দুইচারটা সুখ-দুঃখের কমেন্ট চালাচালি হয়। একদিন আমি লেটে উঠলাম দেখি বুড়ির এসএমএস, যার ভাষ্য “পার্কে বুড়ারা হাটতে গেলে সবার সাথে সবার হাটা-ফ্রেন্ডশিপ হয়, একদিন হটাৎ করে একজন আসেনা, খবর নিয়ে দেখা যায় ভদ্রলোক ইন্তেকাল!” চিন্তা করতেই কেমন ভয়ংকর লাগে।

 

চলুন দেখি আমার বন্ধুরা সবাই জীবনের শেষপ্রান্তে ভোর বেলায় কি উদ্দেশ্যে পার্কে আসবে।









 

 প্যানিং ফটোগ্রাফি অনেক পুরোনো একটা কৌশল হলেও সবসময়েই ছবির মধ্যে ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে এর জুড়ি নেই। এই কৌশলের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সাবজেক্টের নড়াচড়া বোঝানো। এই কৌশল আসলে খুবই সাধারন, ক্যামেরার শাটার ক্লিক করে ক্যামেরাটা সাবজেক্টের মোশন ফলো করলেই হয়, এবং খুব সহজেই সাবজেক্টকে স্পষ্ট এবং ব্যাকগ্রাউন্ড লিনিয়ার ব্লার (এর বাংলা জানিনা) পাওয়া যায়।  তবে ছোট্ট কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হয়, তা হলোঃ

(সবচেয়ে কমন প্যানিং ফটোগ্রাফি করা হয় রাস্তায় গাড়ির চলাচল, আমি সেরকম একটা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে টিপস দিচ্ছি। তবে এই আর্টিকেল যে কোনও পরিস্থিতিতেই কাজ করার কথা)

 

 শাটার স্পিড কম রাখতে হয়, সাধারনত 1/40 বা 1/30 তে খুব ভালো কাজ করার কথা, তারপরও পরিস্থিতি বলতে পারবে ঠিক কত হওয়া দরকার শাটার স্পিড।

। সেটা করতে রাস্তার এমন একটা পাশে দাড়াতে হবে, যাতে ডান-বাম দুই দিক'ই ক্যামেরার রেঞ্জ এ থাকে।

ফোকাস করতে হবে নাক বরাবর সোজা, যেখান দিয়ে সাবজেক্ট যাবে। এই পয়েন্টটাকে সেন্টার পয়েন্ট বলা যায়।

একটু দূর থেকেই সাবজেক্টকে ক্যামেরা দিয়ে তার গতি ফলো করতে হবে (ভিউফাইন্ডারের ভেতর দিয়ে)

সাবজেক্ট সেন্টার পয়েন্টে পৌছাবার আগ মূহুর্তে ক্যামেরার শাটার প্রেস করে যে গতিতে তাকে ফলো করা হচ্ছিলো সেই একই গতিতে ফলো করতে হবে, যদিও শাটার প্রেস করা মাত্র সব কালো হয়ে যাবে যতক্ষন শাটার খোলা থাকবে (পুরো ঘটনা কিন্তু স্লো শাটারে)

 

আশা করা যায় ছবিটা ভালো আসবে। প্যানিং ফটোগ্রাফির জন্য প্রয়োজন প্রচুর প্র্যাকটিস। কারন সবচেয়ে কঠিন দুটি কাজ হচ্ছে পারফেক্ট শাটার স্পিড বের করা, আর মোশনটা ফলো করা।

এই আর্টিকেল এ সবার উপকার হলে আমি সার্থক।

 

জুনায়েদ সাব্বির আহমেদ

১৮।০৯।২০১১

www.zunayed.com

 

(আমি এই আর্টিকেল এ স্যাম্পল হিসেবে যেই ছবিটা দিলাম, সেটা প্যানিং ফটোগ্রাফির কোয়ালিটি তুলনা করলে ১০০ তে ৫ পাবে, আমার একদম প্রথম প্যানিং ফটোগ্রাফি এক্সপেরিমেন্ট। আমি এর পর তেমন একটা তুলি নি, যাও তুলেছি এই মূহুর্তে আমার কাছে ছবিগুলা নেই।)

 

টাইমল্যাপ্স অনেক পুরোনো একটি ফটোগ্রাফি এবং/কিংবা সিনেমাটোগ্রাফি টেকনিক যা অনেকগুলো স্থির ছবি যা একের পর এক প্লে করে মুভমেন্ট তৈরী করা। সহজ ভাষায়- একটি ফটোগ্রাফ একটা ফ্রেম দিয়ে একটা গল্প বলে, আর একটি টাইমল্যাপ্স অনেকগুলো ছবি দিয়ে তাই করে। টাইমল্যাপ্স আর স্টপ মোশান এনিমেশন নিয়ে অনেকেই বিভ্রান্ত থাকেন, জেনে রাখা ভালো স্টপ মোশান এনিমেশন একদমই অন্য একটা বিষয় এবং পদ্ধতি।

 

জ্ঞ্যানদান যখন করছিই, আরেকটু বলে নেই এই ফাঁকে- ভিডিও জিনিসটাও একটা ঘটনার অনেকগুলো স্থির ছবি যা সাধারনত সেকেন্ডে ২৪,২৫ এবং ৩০ ফ্রেম প্লে করে তৈরী করা হয়, তবে টাইমল্যাপ্স কেন? উত্তর হতে পারে –

১) ভিডিও ক্যামেরা, সে যতই দামী হোক ঘুটঘুটে অন্ধকারে, যেখানে মানুষের চোখেই আবছা দেখা যায়, সেখানে ভিডিও করতে প্রায় অক্ষম। কিন্তু একটি ভালো ডিএসএলআর শাটার স্পীড কমিয়ে সেখানে দৃশ্যটি মোটামোটি ধারণ করা যায়।

২) যে কোনও কিছুর নড়াচড়ার মধ্যে একটা শৈল্পিক ঘোলাটে এফেক্ট দেয়া যায়, শাটারস্পীড কমিয়ে, যেটা ভিডিওতে করআ যায়না (যদি না আফটার এফেক্ট এ ম্যানিপুলেট করা হয়),

৩) একটা কলি থেকে পুরোপুরি ফুল, বা বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা, কিংবা ৩ দিন ধরে টবের মধ্যে একটা গাছের বড় হয়ে ওঠা, ইত্যাদি ভিডিও বানাতে চাইলে যদি ভিডিও ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়, তবে কয়েক কিলোমিটার টেপ বা কয়েকশ টেরা মেমোরী প্রয়োজন। কিন্তু একটা রিমোট আর ক্যামেরা হলেই কিন্তু ব্যাপারটা ডাল-ভাত।

 

আপাতত এই মনে আসছে, পরে মনে আসলে আপডেক করে দিবো। চলে আসি কাজের কথায়, কিভাবে টাইমল্যাপ্স ভিডিও বানাতে হয়-

 

টাইমল্যাপ্স তোলার প্রস্তুতিঃ

১। ক্যামেরা – ডিএসএলআর হলে খুবই ভালো, তবে পয়েন্ট এন্ড শ্যুট হলেও কাজ চলবে (সব ব্র্যান্ড ও মডেল নয়)।


২।ক্যামেরার রিমোট- ডিএসএলআর ক্যামেরার টাইমার রিমোট থাকলে খুবই ভালো, না থাকলে ইউএসবি ক্যাবল আর সফটওয়্যার দিয়ে কাজ করতে হবে। তবে আমার জানামতে পয়েন্ট এন্ড শ্যুট ক্যামেরার রিমোট হয়না।


৩। ছবি তোলার সফটওয়্যার- টাইমার রিমোট না থাকলে সফটওয়্যারই ভরসা, খালি আউটডোরে ল্যাপটপ নিয়ে ঘোরাটা অনেক ঝামেলার বিষয়। পয়েন্ট এন্ড শ্যুট ক্যামেরার সব ব্র্যান্ড আর মডেল এর সফটওয়্যার পাওয়া যায়না।


৪। ট্রাইপড- ট্রাইপড থাকাটা মোটামুটি আবশ্যক, তবে আমি টেবিল/চেয়ার/জানালার চৌকাঠে ক্যামেরা রেখেও টাইমল্যাপ্স তুলেছি। তবুও ট্রাইপডের বিকল্প নেই।


৫। যথেষ্ট মেমরী- মেমরী কার্ডে যথেষ্ট জায়গা, বা সাথে যথেষ্ট পরিমান কার্ড থাকা আবশ্যক।


৬। ব্যাটারীর চার্জ- নিশ্চই আপনি চান না অর্ধেক টাইমল্যাপ্স তুলে আপনার ক্যামেরা ইন্তেকাল করুক। চার্জড ব্যাটারী সাথে রাখুন।


৭। অন্যান্য- ছবির প্রয়োজনীয়তা বুঝে এবং আপনার গিয়ার কালেকশন বুঝে লেন্স/ফিল্টার ইত্যাদি সাথে রাখুন।


 

টাইমল্যাপ্স তোলার সময়ঃ

১। শট পরিকল্পনা- একটা স্থির ছবি তুলতে যতটা চিন্তাভাবনা করে থাকেন, এবার তারচেয়েও বেশি চিন্তাভাবনা করে ফ্রেমিং ও কম্পোজিশন রেডি করুন। ভুলবেন না- টাইমল্যাপ্সের উদ্দেশ্যই মুভমেন্ট ধারন, তাই এমন ছবি তুলবেন যেখানে যথেষ্ট পরিমান নড়াচড়া ঘটছে।


২। টেকনিক্যাল বিষয়- নড়াচড়া একদম শার্প চাইছেন? নাকি একটু ব্লারড? শাটারস্পিড সেট করে এপারচার বের করে ফেলুন যেমনটা প্রয়োজন। হয়তোবা পুরো কম্পোজিশনটায় ডেপথ-অফ-ফিল্ড এর কম্পোজিশন করতে চান, কিংবা আলোটা কমাতে চাইছেন, এপারচার সেট করে শাটারস্পিড বের করে ফেলুন। হয়তোবা এক্সপোজারটা কমাতে এনডি ফিল্টার ব্যাবহার করবেন, বা গ্ল্যামার যোগ করতে একটা স্টার ফিল্টার। ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনাটা করে ফেলুন। একটা বা দুটা ছবি নয়, কয়েক’শ ছবি তুলবেন, ভালো না হলে পুরা কষ্টটাই বৃথা।


৩। ফাইল ফরম্যাট- RAW তুলতে যাবেন না কিন্তু! ২/৫ মেগাপিক্সেলের জেপেগ’ই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ভালো আউটপুট দেবে।


৪। টেস্ট শট- প্রথমেই ঝাঁপ না দিয়ে একটা টেস্ট শট নিয়ে দেখুন। আউটডোর শট এবং দিনে হলে আলো আপনার নিয়ন্ত্রনে নেই, তাই সব কিছু ম্যানুয়াল মডে নিয়ে নিন। এমনকি হোয়াইট ব্যালেন্সটাও প্রিসেট বা কাস্টম করে নিন, কারন আলোর পরিমান বা রঙ বলদলালেই ছবিটা বদলে যাবে।


৫। অঙ্ক- সাধারনত টাইমল্যাপ্সে সেকেন্ডে পনেরটা ফ্রেম দেখানো হয়, আপনি অন্যরকম ফ্রেমরেট ব্যাবহার করতে চাইলে করতে পারেন। পুরো ভিডিওটা কতক্ষন বানাতে চাইছেন হিসেব করে কয়টা ছবি তুলবেন গুনে ফেলুন।


৬। রিমোট বা সফটওয়্যার - যদি রিমোট বা সফটওয়্যার ব্যাবহার করেন, তাহলে ইন্টারভ্যাল এবং কতগুলো ছবি তুলবেন সেট করে ফেলুন।


৭। রিমোট বা সফটওয়্যার না থাকলে - যদি রিমোট বা ল্যাপটপ কোনটাই না থাকে তবে ক্যামেরার মাল্টিপল ফ্রেম শ্যুট করার অপশন বের করুন, সাধারনত ডিএসএলআর’এ একটানা ১০টা ছবি তোলা যায়। যতগুলো ছবি তুলবেন ততবার শাটার প্রেস করতে হবে। শাটার প্রেসের ঝাঁকুনি এড়াতে টাইমার অপশনও ব্যাবহার করুন।


৮। শুরু করে দিন!


 

ভিডিও তৈরীঃ

অনেকভাবেই ভিডিও তৈরী করা যায়। নিচে বিভিন্ন সফটওয়্যারের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেয়া হলোঃ

 

১। এডোবি আফটার এফেক্টসঃ সবচেয়ে প্রফেশনাল আউটপুটের জন্য ব্যবহার করতে পারেন এডবি আফটার এফেক্টস। একটি সফটওয়্যারেই পুরো কাজ শেষ করে হাজার রকম এফেক্ট এবং যা ইচ্ছে তাই করতে পারবেন। তবে এটি এমেচারদের জন্য নয়। ট্রাই করে দেখতে পারেন।

 

২। ফটোল্যাপ্সঃ খুব ছোট আকারের এই ফ্রী সফটওয়্যারটি চমৎকার টাইমল্যাপ্স করে দেবে আপনাকে। ডাইরেক্টরি ব্রাউজ করুন, ছবিগুলো লোড করুন, ফ্রেমরেট (সেকেন্ডে কত ফ্রেম) সেট করুন “Create Movie” ক্লিক করুন!

 

৩। অনেকগুলো টাইমল্যাপ্স জোড়া দিয়ে, একটা মিউজিক যোগ করে গল্প বলতে চাইলে ব্যাবহার করতে পারেন যে কোনও ভিডিও এডিটর। প্রফেশনাল সফটওয়্যার যেমন Final Cut Pro, Adobe Premiere, Avid থেকে সেমি-প্রফেশনাল Sony Vegas, Corel Video Studio, কিংবা খুব সাধারণ Windows Movie Maker. ওয়েবে আপলোড করার জন্য একটা ভালো ভিডিও কনভার্টার সবারই প্রয়োজন। আমার রিকমেন্ডেশন Xilisoft HD Converter ব্যাবহার করে দেখতে পারেন।

 

৪। আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি বিষয়টাই প্রায় ভীন গ্রহের সাইন্স। অন্যের শিল্পকর্মের প্রতি শ্রদ্ধাটা কম, আর প্রযুক্তির অপব্যাবহারে ইন্টারনেটে আপলোড করা ছবি বা ভিডিও গায়েব করা ডাল-ভাত ব্যাপার। তাই ওয়াটারমার্ক করতে ভুলবেন না কিন্তু।

  

প্রয়োজনীয় লিঙ্কঃ

Photoscape: আপনার তোলা টাইমল্যাপ্স থেকে এভিআই ফরম্যাটে ভিডিও করে নিন খুব সহজেই।http://www.photoscape.org/ps/main/index.php

 

Breezesys DSLR Remote pro: আমার মতে এটা পিসি/ল্যাপটপে USB কানেক্ট করে ক্যানন/নাইকন ক্যামেরা দিয়ে টাইমল্যাপ্স তোলার সেরা সফটওয়্যার। এই লিঙ্কে গেলে ডেমো ভার্শন পাওয়া যাবেঃhttp://www.breezesys.com/DSLRRemotePro/ । আর পাইরেটেড ফুল ভার্শন চাইলে গোপনে আওয়াজ দিন।

 

Capture One: বেশ অনেকগুলো পয়েন্ট এন্ড শ্যুট ক্যামেরার পিসি/ল্যাপটপ রিমোট এই সফটওয়্যার, কম্পিটাবিলিটি পড়ে নিনঃ http://tethertalk.com/2011/01/27/phase-one-capture-one-6-1-now-available-for-download/

 

Nikontrol: নাইকনের পিসি/ ল্যাপটপ কন্ট্রোলার। http://www.softsea.com/review/Nikontrol-3K.html

  

আমি লেখালেখি লাইনের মানুষ নই। তাই বানান বা ব্যাকরণ ভুল নিজগুনে ক্ষমা করবেন। আমার আর্টিকেলটি সবার উপকারে আসলে আমি অনেক আনন্দিত হবো।

 

জুনায়েদ সাব্বির আহমেদ

২৮-০৯-২০১১

www.zunayed.com

টাইমল্যাপ্স অনেক পুরোনো একটি ফটোগ্রাফি এবং/কিংবা সিনেমাটোগ্রাফি টেকনিক যা অনেকগুলো স্থির ছবি যা একের পর এক প্লে করে মুভমেন্ট তৈরী করা। সহজ ভাষায়- একটি ফটোগ্রাফ একটা ফ্রেম দিয়ে একটা গল্প বলে, আর একটি টাইমল্যাপ্স অনেকগুলো ছবি দিয়ে তাই করে। টাইমল্যাপ্স আর স্টপ মোশান এনিমেশন নিয়ে অনেকেই বিভ্রান্ত থাকেন, জেনে রাখা ভালো স্টপ মোশান এনিমেশন একদমই অন্য একটা বিষয় এবং পদ্ধতি।

 

জ্ঞ্যানদান যখন করছিই, আরেকটু বলে নেই এই ফাঁকে- ভিডিও জিনিসটাও একটা ঘটনার অনেকগুলো স্থির ছবি যা সাধারনত সেকেন্ডে ২৪,২৫ এবং ৩০ ফ্রেম প্লে করে তৈরী করা হয়, তবে টাইমল্যাপ্স কেন? উত্তর হতে পারে –

১) ভিডিও ক্যামেরা, সে যতই দামী হোক ঘুটঘুটে অন্ধকারে, যেখানে মানুষের চোখেই আবছা দেখা যায়, সেখানে ভিডিও করতে প্রায় অক্ষম। কিন্তু একটি ভালো ডিএসএলআর শাটার স্পীড কমিয়ে সেখানে দৃশ্যটি মোটামোটি ধারণ করা যায়।

২) যে কোনও কিছুর নড়াচড়ার মধ্যে একটা শৈল্পিক ঘোলাটে এফেক্ট দেয়া যায়, শাটারস্পীড কমিয়ে, যেটা ভিডিওতে করআ যায়না (যদি না আফটার এফেক্ট এ ম্যানিপুলেট করা হয়),

৩) একটা কলি থেকে পুরোপুরি ফুল, বা বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা, কিংবা ৩ দিন ধরে টবের মধ্যে একটা গাছের বড় হয়ে ওঠা, ইত্যাদি ভিডিও বানাতে চাইলে যদি ভিডিও ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়, তবে কয়েক কিলোমিটার টেপ বা কয়েকশ টেরা মেমোরী প্রয়োজন। কিন্তু একটা রিমোট আর ক্যামেরা হলেই কিন্তু ব্যাপারটা ডাল-ভাত।

 

আপাতত এই মনে আসছে, পরে মনে আসলে আপডেক করে দিবো। চলে আসি কাজের কথায়, কিভাবে টাইমল্যাপ্স ভিডিও বানাতে হয়-

 

টাইমল্যাপ্স তোলার প্রস্তুতিঃ

১। ক্যামেরা – ডিএসএলআর হলে খুবই ভালো, তবে পয়েন্ট এন্ড শ্যুট হলেও কাজ চলবে (সব ব্র্যান্ড ও মডেল নয়)।


২।ক্যামেরার রিমোট- ডিএসএলআর ক্যামেরার টাইমার রিমোট থাকলে খুবই ভালো, না থাকলে ইউএসবি ক্যাবল আর সফটওয়্যার দিয়ে কাজ করতে হবে। তবে আমার জানামতে পয়েন্ট এন্ড শ্যুট ক্যামেরার রিমোট হয়না।


৩। ছবি তোলার সফটওয়্যার- টাইমার রিমোট না থাকলে সফটওয়্যারই ভরসা, খালি আউটডোরে ল্যাপটপ নিয়ে ঘোরাটা অনেক ঝামেলার বিষয়। পয়েন্ট এন্ড শ্যুট ক্যামেরার সব ব্র্যান্ড আর মডেল এর সফটওয়্যার পাওয়া যায়না।


৪। ট্রাইপড- ট্রাইপড থাকাটা মোটামুটি আবশ্যক, তবে আমি টেবিল/চেয়ার/জানালার চৌকাঠে ক্যামেরা রেখেও টাইমল্যাপ্স তুলেছি। তবুও ট্রাইপডের বিকল্প নেই।


৫। যথেষ্ট মেমরী- মেমরী কার্ডে যথেষ্ট জায়গা, বা সাথে যথেষ্ট পরিমান কার্ড থাকা আবশ্যক।


৬। ব্যাটারীর চার্জ- নিশ্চই আপনি চান না অর্ধেক টাইমল্যাপ্স তুলে আপনার ক্যামেরা ইন্তেকাল করুক। চার্জড ব্যাটারী সাথে রাখুন।


৭। অন্যান্য- ছবির প্রয়োজনীয়তা বুঝে এবং আপনার গিয়ার কালেকশন বুঝে লেন্স/ফিল্টার ইত্যাদি সাথে রাখুন।


 

টাইমল্যাপ্স তোলার সময়ঃ

১। শট পরিকল্পনা- একটা স্থির ছবি তুলতে যতটা চিন্তাভাবনা করে থাকেন, এবার তারচেয়েও বেশি চিন্তাভাবনা করে ফ্রেমিং ও কম্পোজিশন রেডি করুন। ভুলবেন না- টাইমল্যাপ্সের উদ্দেশ্যই মুভমেন্ট ধারন, তাই এমন ছবি তুলবেন যেখানে যথেষ্ট পরিমান নড়াচড়া ঘটছে।


২। টেকনিক্যাল বিষয়- নড়াচড়া একদম শার্প চাইছেন? নাকি একটু ব্লারড? শাটারস্পিড সেট করে এপারচার বের করে ফেলুন যেমনটা প্রয়োজন। হয়তোবা পুরো কম্পোজিশনটায় ডেপথ-অফ-ফিল্ড এর কম্পোজিশন করতে চান, কিংবা আলোটা কমাতে চাইছেন, এপারচার সেট করে শাটারস্পিড বের করে ফেলুন। হয়তোবা এক্সপোজারটা কমাতে এনডি ফিল্টার ব্যাবহার করবেন, বা গ্ল্যামার যোগ করতে একটা স্টার ফিল্টার। ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনাটা করে ফেলুন। একটা বা দুটা ছবি নয়, কয়েক’শ ছবি তুলবেন, ভালো না হলে পুরা কষ্টটাই বৃথা।


৩। ফাইল ফরম্যাট- RAW তুলতে যাবেন না কিন্তু! ২/৫ মেগাপিক্সেলের জেপেগ’ই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ভালো আউটপুট দেবে।


৪। টেস্ট শট- প্রথমেই ঝাঁপ না দিয়ে একটা টেস্ট শট নিয়ে দেখুন। আউটডোর শট এবং দিনে হলে আলো আপনার নিয়ন্ত্রনে নেই, তাই সব কিছু ম্যানুয়াল মডে নিয়ে নিন। এমনকি হোয়াইট ব্যালেন্সটাও প্রিসেট বা কাস্টম করে নিন, কারন আলোর পরিমান বা রঙ বলদলালেই ছবিটা বদলে যাবে।


৫। অঙ্ক- সাধারনত টাইমল্যাপ্সে সেকেন্ডে পনেরটা ফ্রেম দেখানো হয়, আপনি অন্যরকম ফ্রেমরেট ব্যাবহার করতে চাইলে করতে পারেন। পুরো ভিডিওটা কতক্ষন বানাতে চাইছেন হিসেব করে কয়টা ছবি তুলবেন গুনে ফেলুন।


৬। রিমোট বা সফটওয়্যার - যদি রিমোট বা সফটওয়্যার ব্যাবহার করেন, তাহলে ইন্টারভ্যাল এবং কতগুলো ছবি তুলবেন সেট করে ফেলুন।


৭। রিমোট বা সফটওয়্যার না থাকলে - যদি রিমোট বা ল্যাপটপ কোনটাই না থাকে তবে ক্যামেরার মাল্টিপল ফ্রেম শ্যুট করার অপশন বের করুন, সাধারনত ডিএসএলআর’এ একটানা ১০টা ছবি তোলা যায়। যতগুলো ছবি তুলবেন ততবার শাটার প্রেস করতে হবে। শাটার প্রেসের ঝাঁকুনি এড়াতে টাইমার অপশনও ব্যাবহার করুন।


৮। শুরু করে দিন!


 

ভিডিও তৈরীঃ

অনেকভাবেই ভিডিও তৈরী করা যায়। নিচে বিভিন্ন সফটওয়্যারের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেয়া হলোঃ

 

১। এডোবি আফটার এফেক্টসঃ সবচেয়ে প্রফেশনাল আউটপুটের জন্য ব্যবহার করতে পারেন এডবি আফটার এফেক্টস। একটি সফটওয়্যারেই পুরো কাজ শেষ করে হাজার রকম এফেক্ট এবং যা ইচ্ছে তাই করতে পারবেন। তবে এটি এমেচারদের জন্য নয়। ট্রাই করে দেখতে পারেন।

 

২। ফটোল্যাপ্সঃ খুব ছোট আকারের এই ফ্রী সফটওয়্যারটি চমৎকার টাইমল্যাপ্স করে দেবে আপনাকে। ডাইরেক্টরি ব্রাউজ করুন, ছবিগুলো লোড করুন, ফ্রেমরেট (সেকেন্ডে কত ফ্রেম) সেট করুন “Create Movie” ক্লিক করুন!

 

৩। অনেকগুলো টাইমল্যাপ্স জোড়া দিয়ে, একটা মিউজিক যোগ করে গল্প বলতে চাইলে ব্যাবহার করতে পারেন যে কোনও ভিডিও এডিটর। প্রফেশনাল সফটওয়্যার যেমন Final Cut Pro, Adobe Premiere, Avid থেকে সেমি-প্রফেশনাল Sony Vegas, Corel Video Studio, কিংবা খুব সাধারণ Windows Movie Maker. ওয়েবে আপলোড করার জন্য একটা ভালো ভিডিও কনভার্টার সবারই প্রয়োজন। আমার রিকমেন্ডেশন Xilisoft HD Converter ব্যাবহার করে দেখতে পারেন।

 

৪। আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি বিষয়টাই প্রায় ভীন গ্রহের সাইন্স। অন্যের শিল্পকর্মের প্রতি শ্রদ্ধাটা কম, আর প্রযুক্তির অপব্যাবহারে ইন্টারনেটে আপলোড করা ছবি বা ভিডিও গায়েব করা ডাল-ভাত ব্যাপার। তাই ওয়াটারমার্ক করতে ভুলবেন না কিন্তু।

  

প্রয়োজনীয় লিঙ্কঃ

Photoscape: আপনার তোলা টাইমল্যাপ্স থেকে এভিআই ফরম্যাটে ভিডিও করে নিন খুব সহজেই।http://www.photoscape.org/ps/main/index.php

 

Breezesys DSLR Remote pro: আমার মতে এটা পিসি/ল্যাপটপে USB কানেক্ট করে ক্যানন/নাইকন ক্যামেরা দিয়ে টাইমল্যাপ্স তোলার সেরা সফটওয়্যার। এই লিঙ্কে গেলে ডেমো ভার্শন পাওয়া যাবেঃhttp://www.breezesys.com/DSLRRemotePro/ । আর পাইরেটেড ফুল ভার্শন চাইলে গোপনে আওয়াজ দিন।

 

Capture One: বেশ অনেকগুলো পয়েন্ট এন্ড শ্যুট ক্যামেরার পিসি/ল্যাপটপ রিমোট এই সফটওয়্যার, কম্পিটাবিলিটি পড়ে নিনঃ http://tethertalk.com/2011/01/27/phase-one-capture-one-6-1-now-available-for-download/

 

Nikontrol: নাইকনের পিসি/ ল্যাপটপ কন্ট্রোলার। http://www.softsea.com/review/Nikontrol-3K.html

  

আমি লেখালেখি লাইনের মানুষ নই। তাই বানান বা ব্যাকরণ ভুল নিজগুনে ক্ষমা করবেন। আমার আর্টিকেলটি সবার উপকারে আসলে আমি অনেক আনন্দিত হবো।

 

জুনায়েদ সাব্বির আহমেদ

২৮-০৯-২০১১

www.zunayed.com

 

Music Shop

Join Fanpage

Flickr Photostream

Music Player

seo
своими руками