

আমার কলিজা এত্তো বড় !
অস্থিতিশীল রাজনীতি আর অস্থিতিশীল মনটা
কে এসে বাধবে কবে বিড়ালটাকে ঘন্টা
কে বলবে আপা তোমার মাথা পুরোই "gone"
মুখ ফস্কে বললেই হয় মানবাধীকার লঙ্ঘন
কোন দেশে হয় রাষ্ট্রপতি শশ্বান ঘাটের মড়া
বাথরুমে পিছলা খেলেই খাবে অন্তিম ধরা
কে বলবে আজ মন্ত্রী তুমি দেখতে কাজের বুয়া
আস্তে বলো ! শুনে ফেললেই র্যাব দেবে ঠুয়া
কে বলবে ম্যাডাম তুমি সস্তা বাজেট নাটক
কান্নাকাটির দিনলিপিটার একলা তুমিই পাঠক
সালোয়ারটা খুলে গেলেও দেলোয়ারটা জমপেশ
তারি খেয়ে ফুটছে বুলি, বেশ বেশ বেশ !
চাচা তবু সুখেই আছেন, কবিতা নিয়ে ব্যস্ত
প্রেসিডেন্টের স্বপ্নখানা আর হবেনা আস্ত
সময় ভীষন যাচ্ছে বাজে টুপি মাথায় থাকলেই|
রাজাকার ডাকবে সবাই দাড়িগুলো পাকলেই
রাজনীতিতে ব্যাস্ত রাজা আমজনতার খবর নাই
রাজা যেই হোকনা কেনও, আমার তবুও খাবার চাই
যেই বসুক গদি জুড়ে কিইবা আসে যায়?
খাবলাখাবলি থামার নয় একি বোঝা দায়?

বেশ অনেকগুলো কারণে আমার এই ব্লগটা লেখা। কারনগুলো হচ্ছেঃ
১। আমার নতুন ওয়েবসাইটটা লঞ্চ করার সেলিব্রেশন হিসেবে।
২। নতুন ব্লগের প্রমোশন হিসেবে।
৩। ফাহাদের কাছ থেকে গ্রাফিক ট্যাব এনেছি, এটা আদৌ কি কাজের কিছু কিনা সেটা পরিক্ষা করতে।
৪। স্কুলের লাস্ট বেঞ্চে বসে খাতা ভর্তি স্যারের কোলাজ, বন্ধুবান্ধবের কোলাজ আঁকতাম, সেটা এতদিন পর পারি নাকি দেখতে (পারি নাই )।
৫। একটা শুক্রবার সকালের আলসে সময় পার করতে।
ইদানিং আমি খুব ভোরে উঠি, অসুস্থ্য মানুষের কাম আরকি। ব্যায়াম করে ফ্রেশ হয়ে সেই ভরে ফেসবুকে দেখি আরেক অসুস্থ্য পাবলিক বুড়ি বসে থাকে। দুইচারটা সুখ-দুঃখের কমেন্ট চালাচালি হয়। একদিন আমি লেটে উঠলাম দেখি বুড়ির এসএমএস, যার ভাষ্য “পার্কে বুড়ারা হাটতে গেলে সবার সাথে সবার হাটা-ফ্রেন্ডশিপ হয়, একদিন হটাৎ করে একজন আসেনা, খবর নিয়ে দেখা যায় ভদ্রলোক ইন্তেকাল!” চিন্তা করতেই কেমন ভয়ংকর লাগে।
চলুন দেখি আমার বন্ধুরা সবাই জীবনের শেষপ্রান্তে ভোর বেলায় কি উদ্দেশ্যে পার্কে আসবে।










প্যানিং ফটোগ্রাফি অনেক পুরোনো একটা কৌশল হলেও সবসময়েই ছবির মধ্যে ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে এর জুড়ি নেই। এই কৌশলের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সাবজেক্টের নড়াচড়া বোঝানো। এই কৌশল আসলে খুবই সাধারন, ক্যামেরার শাটার ক্লিক করে ক্যামেরাটা সাবজেক্টের মোশন ফলো করলেই হয়, এবং খুব সহজেই সাবজেক্টকে স্পষ্ট এবং ব্যাকগ্রাউন্ড লিনিয়ার ব্লার (এর বাংলা জানিনা) পাওয়া যায়। তবে ছোট্ট কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হয়, তা হলোঃ
(সবচেয়ে কমন প্যানিং ফটোগ্রাফি করা হয় রাস্তায় গাড়ির চলাচল, আমি সেরকম একটা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে টিপস দিচ্ছি। তবে এই আর্টিকেল যে কোনও পরিস্থিতিতেই কাজ করার কথা)
শাটার স্পিড কম রাখতে হয়, সাধারনত 1/40 বা 1/30 তে খুব ভালো কাজ করার কথা, তারপরও পরিস্থিতি বলতে পারবে ঠিক কত হওয়া দরকার শাটার স্পিড।
। সেটা করতে রাস্তার এমন একটা পাশে দাড়াতে হবে, যাতে ডান-বাম দুই দিক'ই ক্যামেরার রেঞ্জ এ থাকে।
ফোকাস করতে হবে নাক বরাবর সোজা, যেখান দিয়ে সাবজেক্ট যাবে। এই পয়েন্টটাকে সেন্টার পয়েন্ট বলা যায়।
একটু দূর থেকেই সাবজেক্টকে ক্যামেরা দিয়ে তার গতি ফলো করতে হবে (ভিউফাইন্ডারের ভেতর দিয়ে)
সাবজেক্ট সেন্টার পয়েন্টে পৌছাবার আগ মূহুর্তে ক্যামেরার শাটার প্রেস করে যে গতিতে তাকে ফলো করা হচ্ছিলো সেই একই গতিতে ফলো করতে হবে, যদিও শাটার প্রেস করা মাত্র সব কালো হয়ে যাবে যতক্ষন শাটার খোলা থাকবে (পুরো ঘটনা কিন্তু স্লো শাটারে)
আশা করা যায় ছবিটা ভালো আসবে। প্যানিং ফটোগ্রাফির জন্য প্রয়োজন প্রচুর প্র্যাকটিস। কারন সবচেয়ে কঠিন দুটি কাজ হচ্ছে পারফেক্ট শাটার স্পিড বের করা, আর মোশনটা ফলো করা।
এই আর্টিকেল এ সবার উপকার হলে আমি সার্থক।
জুনায়েদ সাব্বির আহমেদ
১৮।০৯।২০১১
www.zunayed.com
(আমি এই আর্টিকেল এ স্যাম্পল হিসেবে যেই ছবিটা দিলাম, সেটা প্যানিং ফটোগ্রাফির কোয়ালিটি তুলনা করলে ১০০ তে ৫ পাবে, আমার একদম প্রথম প্যানিং ফটোগ্রাফি এক্সপেরিমেন্ট। আমি এর পর তেমন একটা তুলি নি, যাও তুলেছি এই মূহুর্তে আমার কাছে ছবিগুলা নেই।)
১। ক্যামেরা – ডিএসএলআর হলে খুবই ভালো, তবে পয়েন্ট এন্ড শ্যুট হলেও কাজ চলবে (সব ব্র্যান্ড ও মডেল নয়)।